Friday, June 25, 2021

মৃত্যুমুখী সিভিটাকে বাঁচাতে ইউনেস্কোর দ্বারস্থ ইতালি

ইটালির প্রাচীন ও মরণশীল শহর সিভিটা মৃত্যুর ভেতর থেকেই বাঁচার উপায় করে নিয়েছে। ক্রমাগত ঘর্ষণ ও ভূমিধ্বস সত্বেও যেভাবে এই শহর বেঁচে আছে তা সত্যিই এক আশ্চর্য ব্যাপার। এখন তারা Unesco Heritage আখ্যা চাইছে। এই শহর এত দিন ধরে নিশ্চিত মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করেছে যে ইটালি এই শহর এবং Badlands বলে পরিচিত আশেপাশের উঁচু উঁচু চূড়া এবং উপত্যকাগুলিকে Unesco World Heritage Site বলে আখ্যা দিতে চাইছে।

শীতকালে মেঘ যখন নিচে নেমে আসে সেই সময়ে সিভিটাকে দেখে মনে হয় আকাশে ভাসমান একটি দুর্গ। এমনিতে একটি বিরাট বড় পাথরের ওপরে ঠেস দিয়ে এই শহর দাঁড়িয়ে আছে। যে কোনো পরিষ্কার দিনে এই পাথরটাকে দেখে মনে হয় অনেকগুলি ভাঁজযুক্ত কোনো একটা কেকের টুকরো।

কয়েক শতক আগে এই শহরটি ছিল অনেক বড় এবং রাস্তার মাধ্যমে আআশেপাশের বসতিগুলির সঙ্গে সংযুক্ত।

কয়েক শতক আগে এই শহরটি ছিল অনেক বড় এবং রাস্তার মাধ্যমে আআশেপাশের বসতিগুলির সঙ্গে সংযুক্ত। এখন শুধু একটি সেতু দিয়ে এই শহরে যাওয়া যায়।

সিভিটার অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ একজন ভূতাত্ত্বিকের স্বপ্ন। এখানে ১১১৪ সালে একটি বড় মাপের ভূমিক্ষয় হয়েছিল যা নিয়ে আজও ভূতাত্ত্বিকেরা গবেষণা করে থাকেন। আজ থেকে অনেক দিন আগে বীভৎস ঘর্ষণ সিভিটাকে বস্তুত একটি নিউক্লিয়াসে পরিণত করেছিল। শুধু মাঝখানের স্কোয়ার এবং আশেপাশের কয়েকটি রাস্তাই অবশিষ্ট ছিল। লুকা কনস্টান্টিনি নামে ৪৯ বছর বয়সী এক ভূতাত্ত্বিক এ কথা জানিয়েছেন। শহরটিতে ঘর্ষণ কমানোর জন্য গঠিত একটি বিশেষজ্ঞদলের অঙ্গ তিনি।

আগ্নেয়গিরি থেকে বেরনো নরম শিলা দিয়ে গঠিত ভূগর্ভস্থ পানশালা, যেগুলো টাফো নামে পরিচিত, সেগুলির মধ্যে ইস্পাতের বার দেওয়ালগুলিকে ধরে রাখে।

শহরটি ক্রমাগত ক্ষয়ের শিকার তবুও মৃত্যুকে রুখে চলেছে। সিভিটা বাগনোরেজিও বলে একটি এলাকার অঙ্গ। সেখানকার মেয়র লুকা প্রফিলি বলেছেন, তাঁরা দৃঢ়তা নিয়ে চলেন। তার কারণ এট্রুস্কানরা সিভিটাকে প্রতিষ্ঠা করেছিল। রোমান যুগ এবং মধ্য যুগ পেরিয়ে এই শহর আজকের দিনে পৌঁছেছে। তিনি আরো জানিয়েছেন যে এই জায়গাটা খুব ভঙ্গুর। এক্সটেনসোমিটার নামে একটি যন্ত্র দিয়ে এই ভঙ্গুরতা আংশিকভাবে মাপা হয়। এটি একটি টেলিস্কোপিক রড যা গতিবিধি নির্ণয় করতে সমর্থ হয়।

আগেও অনেক পর্যটক আসতেন এখানে। ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট আখ্যা পেয়ে গেলে আরো পর্যটক আসবেন, আশা করা যায়।

- Advertisement -

ইটালির প্রাচীন ও মরণশীল শহর সিভিটা মৃত্যুর ভেতর থেকেই বাঁচার উপায় করে নিয়েছে। ক্রমাগত ঘর্ষণ ও ভূমিধ্বস সয়েও যেভাবে এই শহর বেঁচে আছে তা সত্যিই এক আশ্চর্য ব্যাপার। এখন তারা Unesco Heritage আখ্যা চাইছে। এই শহর এত দিন ধরে নিশ্চিত মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করেছে যে ইটালি এই শহর এবং Badlands বলে পরিচিত আশেপাশের উঁচু উঁচু চূড়া এবং উপত্যকাগুলিকে Unesco World Heritage Site বলে আখ্যা দিতে চাইছে। শীতকালে মেঘ যখন নিচে নেমে আসে সেই সময়ে সিভিটাকে দেখে মনে হয় আকাশে ভাসমান একটি দুর্গ। এমনিতে একটি বিরাট বড় পাথরের ওপরে ঠেস দিয়ে এই শহর দাঁড়িয়ে আছে। যে কোনো পরিষ্কার দিনে এই পাথরটাকে দেখে মনে হয় অনেকগুলি ভাঁজযুক্ত কোনো একটা কেকের টুকরো।

কয়েক শতক আগে এই শহরটি ছিল অনেক বড় এবং রাস্তার মাধ্যমে আআশেপাশের বসতিগুলির সঙ্গে সংযুক্ত।

কয়েক শতক আগে এই শহরটি ছিল অনেক বড় এবং রাস্তার মাধ্যমে আআশেপাশের বসতিগুলির সঙ্গে সংযুক্ত। এখন শুধু একটি সেতু দিয়ে এই শহরে যাওয়া যায়।

সিভিটার অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ একজন ভূতাত্ত্বিকের স্বপ্ন। এখানে ১১১৪ সালে একটি বড় মাপের ভূমিক্ষয় হয়েছিল যা নিয়ে আজও ভূতাত্ত্বিকেরা গবেষণা করে থাকেন। আজ থেকে অনেক দিন আগে বীভৎস ঘর্ষণ সিভিটাকে বস্তুত একটি নিউক্লিয়াসে পরিণত করেছিল। শুধু মাঝখানের স্কোয়ার এবং আশেপাশের কয়েকটি রাস্তাই অবশিষ্ট ছিল। লুকা কনস্টান্টিনি নামে ৪৯ বছর বয়সী এক ভূতাত্ত্বিক এ কথা জানিয়েছেন। শহরটিতে ঘর্ষণ কমানোর জন্য গঠিত একটি বিশেষজ্ঞদলের অঙ্গ তিনি। আগ্নেয়গিরি থেকে বেরনো নরম শিলা দিয়ে গঠিত ভূগর্ভস্থ পানশালা, যেগুলো টাফো নামে পরিচিত, সেগুলির মধ্যে ইস্পাতের বার দেওয়ালগুলিকে ধরে রাখে।

শহরটি ক্রমাগত ক্ষয়ের শিকার তবুও মৃত্যুকে রুখে চলেছে। সিভিটা বাগনোরেজিও বলে একটি এলাকার অঙ্গ। সেখানকার মেয়র লুকা প্রফিলি বলেছেন, তাঁরা দৃঢ়তা নিয়ে চলেন। তার কারণ এট্রুস্কানরা সিভিটাকে প্রতিষ্ঠা করেছিল। রোমান যুগ এবং মধ্য যুগ পেরিয়ে এই শহর আজকের দিনে পৌঁছেছে। তিনি আরো জানিয়েছেন যে এই জায়গাটা খুব ভঙ্গুর। এক্সটেনসোমিটার নামে একটি যন্ত্র দিয়ে এই ভঙ্গুরতা আংশিকভাবে মাপা হয়। এটি একটি টেলিস্কোপিক রড যা গতিবিধি নির্ণয় করতে সমর্থ হয়।

আগেও অনেক পর্যটক আসতেন এখানে। ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট আখ্যা পেয়ে গেলে আরো পর্যটক আসবেন, আশা করা যায়।

- Advertisement -
- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -
[td_block_7 modules_on_row=”eyJwaG9uZSI6IjEwMCUifQ==” image_floated=”float_left” image_width=”30″ image_height=”100″ show_btn=”none” show_excerpt=”none” modules_category=”above” show_date=”none” show_review=”none” show_com=”none” show_author=”none” meta_padding=”eyJhbGwiOiIwIDAgMCAxNXB4IiwicG9ydHJhaXQiOiIwIDAgMCAxMHB4In0=” art_title=”eyJhbGwiOiI4cHggMCAwIDAiLCJwb3J0cmFpdCI6IjVweCAwIDAgMCJ9″ f_title_font_family=”712″ f_title_font_size=”eyJhbGwiOiIxNSIsInBvcnRyYWl0IjoiMTEifQ==” f_title_font_weight=”500″ f_title_font_line_height=”1.2″ title_txt=”#000000″ cat_bg=”rgba(255,255,255,0)” cat_bg_hover=”rgba(255,255,255,0)” f_cat_font_family=”712″ f_cat_font_transform=”uppercase” f_cat_font_weight=”400″ f_cat_font_size=”11″ modules_category_padding=”0″ all_modules_space=”eyJhbGwiOiIyNCIsInBvcnRyYWl0IjoiMTUiLCJsYW5kc2NhcGUiOiIyMCJ9″ category_id=”” ajax_pagination=”load_more” sort=”jetpack_popular_2″ title_txt_hover=”#008d7f” tdc_css=”eyJwaG9uZSI6eyJtYXJnaW4tYm90dG9tIjoiNDAiLCJkaXNwbGF5IjoiIn0sInBob25lX21heF93aWR0aCI6NzY3LCJhbGwiOnsiZGlzcGxheSI6IiJ9LCJwb3J0cmFpdCI6eyJkaXNwbGF5IjoiIn0sInBvcnRyYWl0X21heF93aWR0aCI6MTAxOCwicG9ydHJhaXRfbWluX3dpZHRoIjo3Njh9″ cat_txt=”#000000″ cat_txt_hover=”#008d7f” f_more_font_weight=”” f_more_font_transform=”” f_more_font_family=”” image_size=”td_150x0″ f_meta_font_family=”712″ custom_title=”Popular Articles” block_template_id=”td_block_template_8″ border_color=”#008d7f” art_excerpt=”0″ meta_info_align=”center” f_cat_font_line_height=”1″ pag_h_bg=”#008d7f” image_radius=”100%” td_ajax_filter_type=”” f_header_font_size=”eyJwb3J0cmFpdCI6IjE1IiwiYWxsIjoiMTgifQ==” f_header_font_weight=”500″ f_header_font_transform=”uppercase” f_header_font_family=”712″ pag_h_border=”#008d7f” m6_tl=”50″ f_header_font_line_height=”1.5″ m6f_title_font_size=”eyJhbGwiOiIxNiIsInBob25lIjoiMTcifQ==” m6f_title_font_line_height=”1.5″]
error: Content is protected !!