শো করার সময় সব ঠিক ছিল,কোনো সমস্যা ছিল না, হোটেলে এসে হটাৎ পড়ে যান কে কে, জানালেন ম্যানেজার

কে কে র মৃত্যু নিয়ে সমস্ত জল্পনা উড়িয়ে দিলেন তাঁর সহকারী সচিব হিতেশ ভাট।সারাক্ষন তিনিই ছিলেন শিল্পীর সঙ্গে।স্টেজে গানের সময় তাঁকে দেখা গেছে একেবারে মঞ্চের উপরে গায়কের খুব কাছেই। স্টেজে যতক্ষণ শিল্পী গান করেছেন ততক্ষণ কে কে খুব ভালো ছিলেন, সচিবের কথায়, ‘একদম বরাবর’ ।

আজ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় হিতেশ ভাট এই কথাগুলি বলেন আজতকের সাংবাদিকের এক প্রশ্নের উত্তরে।বাংলায় গান করতে এসে কে কে কে মরতে হয়েছে নজরুল মঞ্চের অব্যবস্থার জন্য,হৃদযন্ত্রের তাঁর দুর্বলতা সেখানকার এ সি না চলায় বেড়ে গিয়ে এমন দুর্ভাগ্যজনক পরিণতি, এমনটাই ছিল ভক্তদের অভিযোগ।কেউ কেউ সরাসরি রাজনীতি করার চেষ্টা করেছেন, কেউ এই নিয়ে বাংলায় গান গাওয়ার মতো পরিস্থিতি নেই , এমন আশঙ্কাও প্রকাশ করেন।অবাঙালি কেউ শুধু বলেন তাইই নয়, এটাই বাস্তব যে বাংলার মানুষ বেশিই বলেছিল যে কে কে কে মরতে হতো না যদি ওইদিন তিন হাজার এর পরিবর্তে সাত হাজার দর্শক না ঢুকে হলের পরিস্থিতি প্রচণ্ড অস্বস্তিকর ও শ্বাসকষ্টের কারণ না হয়ে উঠত।

বাঙালি ভক্তরাই খড়গ হস্ত হয়েছিলেন।কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে কে কে র সর্বক্ষণের ম্যানেজার নিজেই জানাচ্ছেন, মঞ্চে গায়কের কোনো শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখা যায় নি। কে কে অবশ্য সর্বক্ষণ প্রতিটা গান শেষ পর্যন্ত সম্পূর্ন সক্রিয়তা ও শক্তি দিয়ে প্রকাশ করেছেন। রীতিমতো ভক্ত ও শ্রোতাদের সঙ্গে উপভোগ করেই গান করতে করতে তিনি মঞ্চ ছাড়েন। ম্যানেজারের কথায়,গাড়িতে উঠে একটু ঠাণ্ডা- গরম অনুভব করেন,এর বেশি কিছু বলেন নি হিতেশ ভাট।অথচ নিজের গালে চুন কালি মাখাতে উদগ্রীব আত্মঘাতী বাঙালি ফের আরেকবার মুখর হলেন , কে কে র আচমকা মৃত্যুর দায় নিতে চেয়ে।আর কী বলার আছে? ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে রাজনীতির ইস্যু করে তোলা হলো কে কে র মৃত্যু , বলা হলো সব কিছুর জন্য দায়ী হল হল কর্তপক্ষ।ময়না তদন্ত, পুলিশ রিপোর্ট এসব না দেখে জেনেই একদল ভক্ত, সরকার সমালোচক এবং মিডিয়া উঠেপড়ে লাগলেন এটাই প্রমাণ করতে যে, যে যাই বলুক, কে কের এমন পরিণতি একমাত্র হলের অব্যবস্থার জন্যেই।কোনো প্রমাণ ছাড়াই তাঁরা হলে গান গাইবার সময় কে কে র ঘর্মাক্ত ছবি, স্টেজের আলো বন্ধ করার অনুরোধের ছবি দেখিয়ে বলার চেষ্টা হলো, এটাই ছিল তাঁর মরণের আগাম বার্তা।এই অবিবেচক ছেলেমানুষী ভাবনার জন্য কে কে র মৃত্যুকে নিয়ে বাংলার সম্মান নষ্ট হলো।প্রথম দিন থেকেই বার্তা সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলেছিল, এই মৃত্যুর জন্য দায়ী হল নয়।আজ সেটাই প্রমাণিত হল আরেকবার ম্যানেজারের কথায়।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!