আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সংকট চলছে কি কারণে? সংকটে এতো নীরবতা কেন? উত্তর খুঁজলেন প্রাক্তন মন্ত্রী আবদুস সাত্তার

আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক ঘটনাবলী নিয়ে মুখ্যত মুসলিমদের মধ্যে নানা আলোচনা চলছে। আর তা স্বাভাবিকও।

রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারে আছে তাই তারা হয়তো কিছু বলছেন না।
স্বাধীনতার পর এই প্রথম বিজেপি এখন রাজ্যে বিরোধী দল । তারা চুপচাপ থাকবেন এর মধ্যেও বিস্ময়ের কিছু নেই। কিন্তু বিভিন্ন দলের ছাত্র সংগঠন ও রাজনৈতিক দলগুলি ?
রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান মহামান্য রাজ্যপাল ও আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যও এই ক্ষেত্রে নীরব। কোনও বাক্য ব্যয় করছেন না। সব বিষয়ে এতো সরব অথচ এই বিষয়ে এতো নীরব কেন? মাননীয় আচার্য হিসেবে তাঁর কি কোনও দায়িত্ব নেই? কে জানে?

মূলস্রোতের সংবাদমাধ্যমেও এর কোনও প্রতিফলন সেইভাবে দেখা যাচ্ছে না। কলকাতা, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় হলে কি সবাই এইভাবে নীরব থাকতে পারতেন ?
মনে হয় এর মুলে
রয়েছে হয়তো পারসেপশন জনিত সমস্যা। কিন্তু মনে রাখা দরকার, আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে মুসলিম ছাত্র – ছাত্রী- শিক্ষক- শিক্ষা কর্মিদের পাশাপাশি সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের উপস্থিতিও সব ক্ষেত্রে একই রকম ভাবে বর্তমান রয়েছে। শতাংশের তারতম্য হতে পারে। সে তো সব ক্ষেত্রেই বহুকাল ধরে আছে।

জীবন যাপনের সব ক্ষেত্রে এই বর্জন ( exclusion) সত্যিই ভাবিয়ে তুলেছে। অবশ্য পশ্চিমবঙ্গের ২৮ শতাংশ মুসলিম আক্ষরিকভাবে রাজনৈতিক ,সরকারি , সামাজিক প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে এক অসহায় বঞ্চনার শিকার হয়েই চলেছে। বলা ভালো, দিনের পর দিন তা আরও কমছে।

এবার রইল মুসলিমদের পরিচালিত সংবাদপত্র, পোর্টাল ও ইউটিউব চ্যানেল। সাধ্যমতো তারা বিষয়টির প্রতি আলোকপাত করছেন। এতদসত্ত্বেও, কিছু বিষয় বৃহত্তর জনমানসে আলোচিত হওয়া দরকার।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!