অভিষেকের হুংকার আগরতলা পৌঁছে, ‘ত্রিপুরাকে পৈতৃক সম্পত্তি বানিয়েছে বিজেপি’

কর্মীদের পাশে দাঁড়াতে ত্রিপুরায় পৌঁছলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। খোয়াই থানায় গিয়ে গ্রেফতার হওয়া নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দেখা করবেন তিনি। পৌঁছেই তিনি বলেন, ‘‌বিজেপি ত্রিপুরাকে পৈতৃক সম্পত্তিতে পরিণত করেছে। বিপ্লব দেব ভাবছেন ত্রিপুরায় আসতে গেলে ভিসা নিয়ে ঢুকতে হবে’‌ অভিষেক আরও বলেন, ‘‌বিরোধীদের রাস্তায় নামার অধিকার নেই। কর্মসূচি করার অধিকার নেই। ত্রিপুরায় ঢুকলে গ্রেফতার করাচ্ছে। গণতন্ত্র বিপন্ন। মানুষ আক্রান্ত। চ্যালেঞ্জ করলে জেলে ঢোকানো হচ্ছে। আক্রান্তদের জেলে ঢোকানো হয়েছে। যত ক্ষমতা রয়েছে প্রয়োগ করুক। ত্রিপুরায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে। এখানে আইনের শাসন নয়, শাসনের আইন চলছে। আমরা শরীরের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়ব। তৃণমূল বিজেপিকে এক ছটাক জমি ছাড়বে না।’

তৃণমূল সূত্রে খবর আজ, রবিবার বিকেল ৪টে নাগাদ আগরতলায় হোটেল পোলো টাওয়ার্সে সাংবাদিক বৈঠক করবেন অভিষেক। গ্রেফতার হওয়া নেতা-কর্মীদের খোয়াই থানা থেকেই জামিনের চেষ্টা করছে তৃণমূল নেতৃত্ব। শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে আগেই খোয়াই থানার পৌঁছে যান ব্রাত্য বসু, কুণাল ঘোষ আর দোলা সেনরা। শনিবার রাতে খোয়াই থানার পুলিশ ধলাবিল চৌহমুনী এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় তৃণমূল কংগ্রেসের ১৪ জনকে। গ্রেফতার করা হয় সুদীপ রাহা, দেবাংশু ভট্টাচার্য, জয়া দত্ত, তানিয়া পোদ্দার, মনোরঞ্জন দেবনাথ, শিবতনু সাহা, আশিসলাল সিং, রণবীর ভৌমিক, মেহেদি হাসান, স্বপন মিঁয়া, অমল ভৌমিক, সুমন মিঁয়া, সুরজিত্‍ সূত্রধর এবং দেব সরকারকে। তাঁদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৮৮ এবং ১৮৯৭-এর মহামারি আইনের তিনটি ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ১৪ জনকেই আটক করে প্রথমে খোয়াই ধলাবিলের পুলিশ লাইনে নিয়ে যাওয়া হয়। রবিবার ভোরে তাঁদেরকে নিয়ে যাওয়া হয় খোয়াই থানায়।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!