Wednesday, July 28, 2021

মার্কিন, ব্রিটিশ সেনা সরতেই আফগানিস্তানে তালিবান দখলদারি, মেয়েদের সঙ্গে জঙ্গিদের বিয়ে দিতে ফতেয়া


মার্কিন, ব্রিটিশ সেনাবাহিনী ছাড়ছে আফগানিস্তান। সেই সঙ্গে বাড়ছে তালিবানি দৌরাত্ম্য। বিভিন্ন এলাকায় চলছে যথেচ্ছ দখলদারি। আফগানিস্তানের ৮৫% চলে গিয়েছে জঙ্গিদের দখলে।আফগান সেনার সঙ্গেও বাড়ছে সংঘর্ষ। রিপোর্ট বলছে, পিছু হটছে সর্বত্র আফগান সেনা।মার্কিন ও ন্যাটো বাহিনী সরে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মনে করা হচ্ছে পুরো আফগানিস্তান দখল করে নিতে পারে তালিবানরা।

- Advertisement -


তালিবানি আগ্রাসনের সঙ্গে সঙ্গে বৃদ্ধি পেয়েছে সেদেশে
ধর্মের শাসনের নামে যুক্তিহীন মধ্যযুগীয় অত্যাচার এবং মানুষ মারা উগ্রপন্থা। আফগানিস্তানে নতুন করে দখল করা বহু স্থানে জারি করা হয়েছে শারিয়া আইনের কট্টরপন্থী নিয়ম। মা-বাবাদের বাধ্য করা হচ্ছে মেয়েদের জঙ্গিদের সঙ্গে বিয়ে দিতে। ফতোয়া জারি করে বলা হয়েছে এলাকায় এলাকায় কতগুলি ১৫ বছরের ঊর্ধ্বে মেয়ে আছে তার তালিকা তৈরী করতে। ৪৫ বছরের নিচে বিধবাদের আলাদা তালিকা করতে হবে। এই সমস্ত মে এবং বিধবা মহিলাদের তাদের হাতে তুলে দিতে হবে। বিয়ের জন্য তাদেরকে গ্রহণ করা হবে। অভিজ্ঞ পর্যবেক্ষকদের বক্তব্য এটা আসলে সেদেশে বিয়ের নামে যৌনদাসী করে মেয়েদের নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখার পরিকল্পনা। এই তালিবানি ফতেয়া না মানলে তাদের গুলি করে মেরে সেই সব মেয়েদের তুলে আনা হবে, এমনই ভয় পাচ্ছে মানুষ। তাই যাঁদের সুযোগ আছে, তাঁরা এখনই কন্যাসন্তানকে দেশের বাইরে পাঠিয়ে দিচ্ছেন বা পরিবার নিয়ে দেশ ছেড়ে পালাচ্ছেন।


শুধু মহিলাদের দুর্দশা, এমনটাই নয়। ধূমপান ও দাড়ি কামানোর মতো ব্যক্তিগত বিষয়েও জারি হয়েছে কড়া নিষেধাজ্ঞা। এমনকি গান চালাতেও ভয় পাচ্ছেন স্থানীয়রা। কারণ তালিবান টহলদারদের কানে গেলেই মৃত্যু অনিবার্য।


বেদখল হওয়া এলাকায় ‘তালিবান দখল নেওয়ার পর থেকেই সাধারণ মানুষ প্রবল আশঙ্কায় ভুগছে। সেখানকার মানুষ জোরে কথা বলতে পারছে না, গান শুনতে পারছে না, সিনেমা দেখা বারণ। এমনকি মহিলারা বাড়ির সামনে বাজারটুকু যেতে সাহস পাচ্ছেন না।’

আপনার বাড়ির মহিলারা সুরক্ষিত? প্রশ্নের উত্তরে এক বৃদ্ধ জানান, ‘ওদের(তালিবান) এক সাব-কম্যান্ডার এসেছিল। বলল বাড়িতে ১৮-র বেশি বয়সী মেয়ে রাখা যাবে না। সেটা পাপ। বিয়ে দিতেই হবে।’ কাঁদতে কাঁদতে হাজি বলেন, ‘ওরা আমার বাড়িতে কে কে আছে, এসে দেখে গিয়েছে। আমি নিশ্চিত, আমার চোখের সামনে ওরা আমার দুই মেয়েকে তুলে নিয়ে যাবে। ওদের জোর করে জঙ্গিদের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হবে।

- Advertisement -
- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

Popular Articles

error: Content is protected !!